প্রকাশিত: ৩১/১০/২০২১ ৮:০৫ পিএম

হুমায়ুন কবির জুশান, উখিয়া ::
রত্নাপালং ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল কবির চৌধুরী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট কথা বলেছেন। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে চাই, তার এহেন অভিযোগ মোটেও সত্য নয়। এবার নৌকার বিজয় হবে। আমার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্থ করতে চায় সে। এলাকায় আমি শক্ত নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করতে পেরেছি। আমার ইউনিয়নের খেটে-খাওয়া মানুষ আমাকে ভালবাসে। স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল কবির চৌধুরী আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করে নানা ঘটনার জন্ম দিয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। উখিয়ার ২ নং রত্নাপালং ইউনিয়নবাসী অত্যন্ত শান্তিপ্রিয়। ২০১৬ সালের জুন মাসের ৪ তারিখের নির্বাচনে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলাম। আর নুরুল কবির চৌধুরী ছিল বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী। মূলত জোট সরকারের সাথে আতাত করে বৌদ্ধ মন্দিরে হামলাসহ সমস্ত অপকর্মের সাথে তিনিই জড়িত ছিলেন। সে উখিয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। নিরপেক্ষ ভোটের মাধ্যমে সেদিন আমি নির্বাচিত হয়েছিলাম। সে নির্বাচনে তার সাথে আমার ভোটের ব্যবধান ছিল ১৭০০ ভোটের চেয়ে বেশি। আমি বিপুল ভোটে সেদিন তাকে পরাজিত করেছি। এর পরে তিনি আমার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে তিনটি মামলা করেছেন। নুরুল কবির চৌধুরী নাইক্ষ্যংছড়ি ও বান্দরবানে বেশির ভাগ সময় অবস্থান করেন। রোহিঙ্গাদের সাথে তার সখ্যতা রয়েছে। এখন আমি মনে করি রত্নাপালং ইউনিয়নে যে ফোর মার্ডার হয়েছে তাতে তার হাত থাকতে পারে। এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন ফোর মার্ডার হত্যাকান্ডে নুরুল কবির চৌধুরীর হাত থাকলে এতদিন একজন জনপ্রতিনিধি হয়েও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেননি কেন? একে অপরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রাজনৈতিক বক্তব্য কীনা? সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী বলেন, তিনি আমাকে ঘায়েল করার জন্য এমনটি করতে পারেন এটা আমার মন্তব্য। গত ৩০ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০ টায় কোটবাজারে আওয়ামীলীগের নির্বাচনী অফিসে সাংবাদিক সম্মেলনে রত্নাপালং ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী উপরোক্ত কথা বলেন। এ সময় নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল হুদা বলেছেন, ১৯৯৮ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৫ আগস্ট উখিয়ায় কাঙ্গালী ভোজে বিষ প্রয়োগ করে কাঙ্গালী ভোজকে নষ্ট করতে যে হামলা চালিয়েছিল সেই মামলার আমি একমাত্র বাদী। বর্তমান চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী রত্নাপালং ইউনিয়নের উন্নয়ন ও নৌকা প্রতীককে নির্বাচিত করার জন্য নিজে প্রার্থী না হয়ে আমাকে সর্মথন দিয়ে যাচ্ছেন। তখনই তিনি হয়ে গেলেন অস্ত্রবাজ ও সন্ত্রাসী। এটি উখিয়াবাসী কেউ বিশ্বাস করবে না। বৌদ্ধ মন্দির হামলার সময়ে বর্তমান রত্নাপালং ইউনিয়নের স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল কবির চৌধুরী সেদিন মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছিল। তাকে সবাই ভালভাবে চেনে। আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদি। আমার প্রতিদ্বন্ধি ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী কিছু কিছু ঘটনা ঘটাচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবে। যেটা আপনারা নিজেরাও টের পান। এ সময় কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগেন নেতা আবুল মন্সুর চৌধুরী ও স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মতামত

কক্সবাজারের সাগরে ডুবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

কক্সবাজারের রামুর হিমছড়িতে সাগরে গোসল করতে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আরও ...

কক্সবাজারে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছে চিকিৎসক-নার্স

কক্সবাজারের কক্স ন্যাশনাল হসপিটালে প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর ...

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে ১৫ হাজার সাবান

কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-২০) একটি কারখানায় প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার সাবান উৎপাদিত হচ্ছে। ...

ইনানীতে অগ্নিকান্ড : ১০ মরদেহ শনাক্ত হলেও এখনো নিখোঁজ শিক্ষিকা

অন্যদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর স্বজনদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী রিসোর্টে অবস্থানকারী পর্যটকদের মধ্যে নিখোঁজের তালিকায় ছিলেন মোট ...